১) অ্যাকিউট ব্যাক পেন:
কোমর, পিঠে চোট-আঘাত লাগলে বা প্রচুর খাটনি হলে এই ধরনের ব্যথা হতে পারে। ব্যথার ওষুধ খেয়ে কষ্ট সাময়িক ভাবে বশে রাখা যায়। কিন্তু তা নিরাময় হয় না। ভুল ম্যাট্রেস বা শোয়ার ভঙ্গির জন্যও এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২) ক্রনিক ব্যাক পেন:
স্লিপ ডিস্ক বা মেরুদণ্ডের কোনও সমস্যা থাকলে কোমরে এই ধরনের ব্যথা হয়। যা মাস তিনেক পর্যন্ত ভোগাতে পারে। ওষুধের পাশাপাশি ফিজ়িয়োথেরাপি, ব্যায়ামেরও প্রয়োজন হতে পারে।
৩) লোয়ার ব্যাক পেন:
দীর্ঘ ক্ষণ চেয়ারে বসে কাজ করার অভ্যাস, সায়াটিকার মতো সমস্যা থেকে লোয়ার ব্যাক পেন হতে পারে। শোয়ার ভঙ্গির জন্য পরিস্থির অবনতি হতে পারে।
৪) আপার ব্যাক পেন:
চোট-আঘাত, বসা কিংবা শোয়ার দোষে অনেক সময়ে কোমর-সহ পিঠেও ব্যথা হতে পারে। খারাপ মানের ম্যাট্রেসে শুলে সেই ব্যথা-বেদনা অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
